রেলওয়ে সংবাদ
রেলের টিকিট সংকট: জনসেবা, জবাবদিহিতা ও শাসনের প্রশ্ন
ঢাকা-সিলেট রুটের একাধিক ট্রেনের সব আসন শূন্য দেখালেও বাস্তবে টিকিট কালোবাজারি চলছে, যা রেলের জবাবদিহিতার ঘাটতি ও শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।

এক নজরে
- ঢাকা-সিলেট রুটের একাধিক ট্রেনের সব আসন শূন্য দেখালেও বাস্তবে টিকিট কালোবাজারি চলছে, যা রেলের জবাবদিহিতার ঘাটতি ও শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।
ঢাকা ট্রিবিউনের এক মতামত নিবন্ধে রেলের টিকিট সংকটকে জনসেবা, জবাবদিহিতা ও শাসনের প্রশ্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯), জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭) ও পারাবত এক্সপ্রেস (৭০৯)-এর সব শ্রেণির আসন শূন্য দেখালেও বাস্তবে টিকিট কালোবাজারি চলছে।
রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, অনলাইনে টিকিট বিক্রি স্বচ্ছ, কিন্তু যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। অথচ কালোবাজারিরা অতিরিক্ত দামে টিকিট বিক্রি করছে। এই পরিস্থিতি রেলের সেবার মান ও শাসনব্যবস্থার প্রতি প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
নিবন্ধে আরও বলা হয়, টিকিট সংকট শুধু যাত্রীদের ভোগান্তি নয়, বরং এটি রেলের দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির প্রতিফলন। রেল কর্তৃপক্ষের উচিত টিকিট বিতরণে স্বচ্ছতা আনা এবং কালোবাজারি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।
যাত্রীদের দাবি, টিকিট পাওয়া নিশ্চিত করতে অগ্রিম বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়ানো এবং প্রতিটি ট্রেনের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন সংরক্ষণ করা হোক। অন্যথায়, সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সূত্র: dhakatribune.com