নতুন: ট্রেনে চেপে বাংলাদেশের কতটুকু ঘুরে দেখেছেন? — আমার রেলযাত্রা-এ নিজের ম্যাপ বানান
আমার রেলযাত্রা বানাননতুন — আমার রেলযাত্রা
রুট বা ট্রেনের নাম বাছাই করুন — ২২৪টি ট্রেনের আসল সময়সূচি থেকে দেখিয়ে দেব কোন কোন জেলা আপনি ট্রেনে পাড়ি দিয়েছেন। স্কোর হবে ৬৪ জেলার মধ্যে, আর নিজের নাম-ছবিসহ ম্যাপ ডাউনলোড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন।
৬৪ জেলার স্কোর · ডাউনলোডযোগ্য ম্যাপ · এক ক্লিকে শেয়ার
Akhaura Junction to Cox’s Bazar Trains
আখাউড়া জংশন থেকে কক্সবাজার রুটে এখন মোট ১টি ট্রেন চলাচল করে — ১টি আন্তঃনগর। এই রুটের সব ট্রেনেরই সাপ্তাহিক ছুটির দিন আছে, তাই যাত্রার তারিখ বাছার সময় ছুটির তথ্য মিলিয়ে নিন। স্টপেজ, ছাড়ার সময় ও ভাড়ার বিস্তারিত দেখতে নিচের তালিকার যেকোনো ট্রেনের নামে ক্লিক করুন; প্রতিটি ট্রেনের সম্পূর্ণ তথ্য সেখানেই পাবেন।
এই রুটের টিকিটও একই নিয়মে খোলে — যাত্রার ১০ দিন আগে থেকে, প্রতিদিন সকাল ৮টায় নতুন তারিখ (ঈদ-পূজার ব্যাচে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেন ৮টায়, পূর্বাঞ্চলের ট্রেন দুপুর ২টায়)। কোন তারিখের টিকিট কবে খুলছে, টিকিট কাটার তারিখ পাতায় সব ট্রেনের তালিকাসহ দেখুন।
দূরত্ব: প্রায় ২৯৫ কিমি · সময়: দ্রুততম ৬ঘ ৫২মি · ধীরতম ৬ঘ ৫২মি
| ছাড়ে | ট্রেন | পৌঁছায় | সময় | ছুটির দিন | ক্লাস | ভাড়া |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 23:08 | মহানগর এক্সপ্রেস722 | 06:00 | 6ঘ 52মি | রবিবার | এসি বার্থ স্নিগ্ধা |
তালিকার যেকোনো ট্রেনের নামে ক্লিক করলে স্টপভিত্তিক সময়সূচি ও ভাড়ার বিস্তারিত পাবেন। ভাড়া হিসাবকৃত — টিকিটের আগে eticket.railway.gov.bd-এ যাচাই করে নিন।
আখাউড়া জংশন থেকে কক্সবাজার রেলপথের দূরত্ব প্রায় ২৯৫ কিলোমিটার। এই হিসাব ট্রেনের স্টপেজ-তালিকার স্থানাঙ্ক থেকে আনুমানিকভাবে করা, তাই রেললাইনের বাঁক অনুযায়ী আসল দূরত্ব কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
দ্রুততম ট্রেনে ৬ঘ ৫২মি এবং ধীরগতির ট্রেনে সর্বোচ্চ ৬ঘ ৫২মি লাগে (উপরের তালিকার সময় অনুযায়ী)। ভিড়ের সময় বা ঘোষণায় সময় বদলাতে পারে, তাই যাত্রার আগে ট্রেনের নিজের পাতা থেকে হালনাগাদ সময়সূচি মিলিয়ে নিন।
এই রুটে বর্তমানে মোট ১টি ট্রেন চলাচল করে, যার মধ্যে ১টি আন্তঃনগর। নিচের তালিকায় প্রতিটি ট্রেনের নম্বর ও ছুটির দিন একসাথে দেখানো হয়েছে, তাই নিজের সুবিধামতো ট্রেন বেছে নেওয়া সহজ। যাত্রার আগে হালনাগাদ সময়সূচি একবার মিলিয়ে নিলে আরও নিশ্চিন্ত থাকবেন, আর টিকিট আগেভাগে কাটলে আসন মেলার সম্ভাবনা বেশি।
এই রুটের ১টি ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে — যেমন মহানগর এক্সপ্রেস রবিবার। এই রুটে প্রতিদিন চলাচলকারী কোনো ট্রেন নেই, তাই যাত্রার দিন বেছে নেওয়ার সময় ছুটির তালিকা ভালো করে মিলিয়ে নিন। ছুটির দিন কখনো বদলায়, তাই যাত্রার তারিখ ঠিক করার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রেনের সময়সূচি একবার দেখে নেওয়া ভালো।
টিকিট পাওয়া যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিট ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd), “রেল সেবা” মোবাইল অ্যাপ এবং স্টেশন কাউন্টার থেকে। ছুটি ও উৎসবের সময় টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়, তাই সম্ভব হলে কয়েক দিন আগেই বুক করে রাখুন। বুকিংয়ের নিয়ম মাঝে মাঝে বদলায়, তাই বের হওয়ার আগে সর্বশেষ ঘোষণা দেখে নেওয়া ভালো।
প্রতিটি ট্রেনের ছাড়া ও পৌঁছানোর সময় আলাদা; উপরের তালিকা থেকে ট্রেনের নামে ক্লিক করলে স্টপভিত্তিক পূর্ণ সময়সূচি ও ভাড়া দেখতে পাবেন। যাত্রার দিনে সময় বদলে যেতে পারে, তাই স্টেশন ছাড়ার আগে হালনাগাদ সময়সূচি একবার মিলিয়ে নিন — এতে স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষা বা ভোগান্তি এড়ানো যায়।
| — |