
নতুন: ট্রেনে চেপে বাংলাদেশের কতটুকু ঘুরে দেখেছেন? — আমার রেলযাত্রা-এ নিজের ম্যাপ বানান
আমার রেলযাত্রা বানাননতুন — আমার রেলযাত্রা
রুট বা ট্রেনের নাম বাছাই করুন — ২২৪টি ট্রেনের আসল সময়সূচি থেকে দেখিয়ে দেব কোন কোন জেলা আপনি ট্রেনে পাড়ি দিয়েছেন। স্কোর হবে ৬৪ জেলার মধ্যে, আর নিজের নাম-ছবিসহ ম্যাপ ডাউনলোড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন।
৬৪ জেলার স্কোর · ডাউনলোডযোগ্য ম্যাপ · এক ক্লিকে শেয়ার
যাত্রীদের লাইভ আপডেট — বিলম্ব, ভিড়, নিরাপত্তা, প্রশংসা।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৩টি যাত্রী সংকেত
ভারতের কারখানা থেকে বের হচ্ছে বাংলাদেশের নতুন LHB কোচ! বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য নির্মিত ২০০টি LHB কোচের চালানে নতুন অগ্রগতি। কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি থেকে বের হচ্ছে নতুন কিছু কোচ। এবার দেশের রেলপথে তাদের আগমনের অপেক্ষা। #BangladeshRailway #LHB #RailwayUpdate
❝আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের অফ ডে প্রত্যাহার❞ ঢাকা, ১১ অক্টোবর, রবিবার। আসন্ন দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঘরমুখী যাত্রীদের সুবিধাজনক ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেই সাথে পাঁচ ট্রেনের অফ ডে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত, ট্রেন সিডিউল রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে গৃহীত প্রধান পদক্ষেপসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো: ঢাকা স্পেশাল-৩: চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে আগামী ২০ অক্টোবর চলাচল করবে। ট্যুরিস্ট স্পেশাল-১ ও ২: ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে আগামী ২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে (মোট ০৩ দিন) চলাচল করবে। চট্টগ্রাম স্পেশাল-৪: ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে আগামী ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে চলাচল করবে। যাত্রী চাপ সামলাতে পূর্বাঞ্চলের কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ১৯ ও ২০ অক্টোবর তারিখের অফ-ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের ১৯ অক্টোবর, পদ্মা এক্সপ্রেসের ২০ অক্টোবর এবং মধুমতি এক্সপ্রেসের ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের অফ-ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পূজা উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পূর্বাঞ্চলে ২৩টি মিটারগেজ কোচ এবং পশ্চিমাঞ্চলে ০৬টি ব্রডগেজ কোচ যাত্রীবাহী সার্ভিসে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ট্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ইঞ্জিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। সিডিউল বিপর্যয় দূর করতে ও সময়ানুবর্তিতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন ও সিগন্যাল কেবিনে কর্মকর্তা ও পরিদর্শকদের নিবিড় তদারকিতে ট্রেন পরিচালিত হবে। ট্র্যাক ও ব্রিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রেলপথ পেট্রোলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সাথে সিগন্যালিং ব্যবস্থা, কোচ এবং ইঞ্জিনের নিবিড় পরিচর্যা করা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রেরণের জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে রিলিফ ট্রেনসমূহ। ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল প্রধান প্রধান স্টেশনে জিআরপি ও আরএনবি-এর সহযোগিতায় সার্বক্ষণিক পাহারা জোরদার করা হয়েছে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ১৯ ও ২০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল ডিউটি নিশ্চিত করা হবে৷ চলন্ত ট্রেন, স্টেশন বা রেললাইনে যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ে কর্মচারীদের নজরদারি ও কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপির সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, সেতু বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি, সংশ্লিষ্ট সচিব ও দপ্তর প্রধানগণ, ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রেজাউল করিম সিদ্দিকী জনসংযোগ কর্মকর্তা রেলপথ মন্ত্রণালয়।

