প্রচ্ছদ
উন্নয়ন
অনিয়ম
প্রোগ্রাম
মন্ত্রণালয়
আন্তর্জাতিক
মেট্রোরেল
অভিযান
দুর্ঘটনা
প্রকল্প
সারাদেশ
স্টেশন সংবাদ
অধিকার
মতামত
কথপোকথন
ফটো গ্যালারি
ভিডিও
আর্কাইভস
x
খুঁজুন
শিরোনাম
বিনা টিকিটের যাত্রী বেশি, আয় বাড়াতে তিন ট্রেন যাচ্ছে বেসরকারি খাতে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের ধাক্কায় যুবকসহ দুই অজ্ঞাতের মৃত্যু, মেলেনি পরিচয়
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন: দীর্ঘ নির্মাণকাজে বাড়ছে ভোগান্তি
নাশকতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনে এপিবিএনের নজরদারি
ফটো গ্যালারি
রেলের গতি বাড়াতে আসছে ৩০ নতুন ইঞ্জিন
রেলের গতি বাড়াতে আসছে ৩০ নতুন ইঞ্জিন
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:৫৮, ৬ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০৮:৫৯, ৬ অক্টোবর ২০২৬
14Shares







-অ+

বাংলাদেশ রেলওয়ের মিটারগেজ সেকশনের পুরোনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জিনের জায়গায় ৩০টি নতুন ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২ হাজার ৭০ কোটি টাকা। তবে পুরো প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা হবে। প্রতিটির আনুমানিক দাম পড়বে ৬৯ কোটি টাকা। কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা কোম্পানি থেকে এসব ইঞ্জিন কেনার কথা বলা হয়নি। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সরবরাহকারী নির্বাচন করা হবে।
প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। বাকি ১ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) ঋণ থেকে জোগান দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের বহরে মোট ২৯২টি লোকোমোটিভ রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৪টি মিটারগেজ এবং ১২৮টি ব্রডগেজ। মেকানিক্যাল কোড-ম্যানুয়েল অনুযায়ী একটি লোকোমোটিভের অর্থনৈতিক আয়ু ২০ বছর। কিন্তু বর্তমানে ব্যবহৃত ১১৫টি মিটারগেজ লোকোমোটিভের অর্থনৈতিক আয়ু ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
এ ছাড়া ৬২টি মিটারগেজ লোকোমোটিভের বয়স ৪০ বছরের বেশি। এসব পুরোনো ইঞ্জিন এখনও ট্রেন পরিচালনায় ব্যবহৃত হচ্ছে। মেয়াদোত্তীর্ণ লোকোমোটিভের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়বহুল হওয়ার পাশাপাশি এগুলোর নির্ভরযোগ্যতাও কম। পুরোনো ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করাও কঠিন ও ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক সময় দীর্ঘদিন সেগুলো অচল পড়ে থাকে।
রেলওয়ে বলছে, নতুন ৩০টি লোকোমোটিভ যুক্ত হলে মিটারগেজ সেকশনে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে ট্রেন পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি, সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত এবং পুরোনো ইঞ্জিনের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে। নতুন ইঞ্জিনের মাধ্যমে আন্তঃনগর যাত্রী ও দ্রুত বাড়তে থাকা পণ্য পরিবহনের চাহিদাও পূরণ করা যাবে।
রেলওয়ের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের মিটারগেজ রেললাইনগুলো ডুয়েলগেজে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই কাজ বিলম্বিত হওয়ায় ২০৫৫ থেকে ২০৬০ সাল পর্যন্ত মিটারগেজ ট্রেন পরিচালনা করতে হতে পারে। এ বাস্তবতায় নতুন মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরি করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় শুধু ইঞ্জিন কেনাই নয়, প্রয়োজনীয় ক্যাপিটাল ও কনজুমেবল স্পেয়ার্স, টুলস এবং যন্ত্রপাতিও সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকৌশলী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত জ্ঞান হস্তান্তরের ব্যবস্থা থাকবে। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের কারিগরি বিশেষজ্ঞরা স্থানীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনাকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবেন। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে কারিগরি সহায়তাও দেওয়া হবে।
রেলওয়ে মনে করছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মিটারগেজ রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। পাশাপাশি ট্রেন পরিচালনা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় কমবে এবং রাজস্ব আয় বাড়বে।
বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রেলপথ দেশের অন্যতম ব্যস্ত মিটারগেজ করিডোর। এই পথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় ডিজেল লোকোমোটিভের প্রাপ্যতা কম থাকায় সেই চাহিদা পূরণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের উপপ্রধান (রেল পরিবহন) মো. নাজমুল হাসান বলেন, ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভের প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ট্রেনের পরিবহন সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) মো. সুবক্তগীন বলেন, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনসেবা বাড়াতেই প্রকল্পটি নেওয়া হচ্ছে। এআইআইবির ঋণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে এবং অনুমোদনের পর ক্রয়সংক্রান্ত বিষয় চূড়ান্ত করা হবে।
রেলওয়ের মতে, সড়ক পরিবহনের ওপর চাপ কমাতেও নতুন লোকোমোটিভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বাড়লে সড়ক ও মহাসড়কের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের ব্যয়ও কমতে পারে। পাশাপাশি দ্রুত ও তুলনামূলক কম খরচে অধিক সংখ্যক যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি হবে।
14Shares







এ সম্পর্কিত খবর

পাখির চোখে কমলাপুর প্ল্যাটফর্ম

ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশন

শর্শদি রেলওয়ে স্টেশন

শর্শদি রেলওয়ে স্টেশন

কমলাপুর থেকে গন্তব্যে ছুটে চলছে ট্রেন

কমলাপুর থেকে গন্তব্যে ছুটে চলছে ট্রেন

আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন

ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশন

কমলাপুর রেলস্টেশনের কাছে টিটিপাড়া আন্ডার পাস

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ৩নং প্লাটফর্ম বৃষ্টিতে ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীরা
সর্বশেষ
সর্বাধিক
১
রেলের গতি বাড়াতে আসছে ৩০ নতুন ইঞ্জিন
২
পাখির চোখে কমলাপুর প্ল্যাটফর্ম
৩
কাউগা স্টেশনের সিগন্যাল কেবিনের মালামাল চুরির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন
৪
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চলন্ত ট্রেনের ছাদে হাঁটতে গিয়ে পা পিছলে কিশোর নিহত
৫
রেল কর্মচারী লাঞ্ছনায় বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
৬
চট্টগ্রামে ২ ডাউন মেইলের পাওয়ারকার অপারেটরকে মারধরের অভিযোগ, ট্রেন আটকে বিক্ষোভ
৭
সৈয়দপুরে লাল পতাকা টাঙিয়ে রেলওয়ের অফিসার্স কলোনির ভবন দখলের চেষ্টা
৮
বাসের দখলে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন!
৯
ডেপুটি স্পিকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে আবারও জারিয়া লোকাল ট্রেন চালু
১০
বাসের মতো মেট্রোরেলেও হাফ ভাড়া চালুর দাবি শিক্ষার্থীদের
১১
চীনে এক দিনে রেলযাত্রায় নতুন রেকর্ড
১২
পাহাড়তলী ডিজেল শপে এক-তৃতীয়াংশ জনবল, জোড়াতালিতে সচল শত শত ইঞ্জিন
১৩
দিনে মাত্র ১৪ মিনিট ট্রেনের স্টপেজ, বাকি সময় কিশোর গ্যাংয়ের দখলে আঁড়িখোলা রেলস্টেশন
১৪
রেলকে লাভজনক করতে মালবাহী কোচ বৃদ্ধি ও টিকিট কালোবাজারি বন্ধের সুপারিশ
১৫
রেলের হাসপাতালকে রোগী বানিয়ে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক নির্ভরতা লজ্জাজনক
সব খবর
আরও পড়ুন

রেলের গতি বাড়াতে আসছে ৩০ নতুন ইঞ্জিন

ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশন

শর্শদি রেলওয়ে স্টেশন

শর্শদি রেলওয়ে স্টেশন

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মেহেদী হাসান
আমাদের সম্পর্কে
২০, মিডিয়া গলি,বড় মগবাজার, রমনা, ঢাকা-১০০০
ফোন: +880 1719-443335. ই-মেইল: railwaynews1984@gmail.com
© 2026 | All right ® reserved by Rail News 24 | চব্বিশ ঘন্টা রেল সংবাদ. | Developed by eMythMakers.com