রুট বা ট্রেনের নাম বাছাই করুন — ২২৪টি ট্রেনের আসল সময়সূচি থেকে দেখিয়ে দেব কোন কোন জেলা আপনি ট্রেনে পাড়ি দিয়েছেন। স্কোর হবে ৬৪ জেলার মধ্যে, আর নিজের নাম-ছবিসহ ম্যাপ ডাউনলোড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন।
রুট বা ট্রেন বাছাই করুনযেমন ঢাকা → চট্টগ্রাম, বা সরাসরি সুবর্ণ এক্সপ্রেস লিখুন।
জেলাগুলো জ্বলে উঠবে২২৪টি ট্রেনের আসল সময়সূচি থেকে দেখাব — কোন কোন জেলা আপনি ট্রেনে পাড়ি দিয়েছেন, স্কোরসহ।
ম্যাপ ডাউনলোড করুননিজের নাম-ছবিসহ সুন্দর একটি ম্যাপ — ফেসবুকে শেয়ার করে বন্ধুদের চ্যালেঞ্জ করুন।
ঢাকাগামী ১৩৫ আপ অভিযাত্রী কমিউটার ট্রেনটি জুরাইন রেলগেইট পার হয়ে গেন্ডারিয়ার স্টেশন পার হলো তখন 🕗 রাত ১০:৫১ মিনিটে।
0
Chattogram Breakings24·১৩ দিন আগে
কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে রেল লুট করা নিষ্পাপ দুই বন্ধু এবার কি ফেঁসে যাচ্ছেন!
রেলওয়ের যমুনা রেলসেতু, কালুরঘাট সেতু এবং সিডিআরপি-র মতো মেগা প্রকল্পগুলোতে দরপত্র মূল্যায়নে নজিরবিহীন জালিয়াতি, গুরুতর অডিট আপত্তি মহা অনিয়ম-দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় জমি দখলের মাধ্যমে সরকারের কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের তীর রেলওয়ের প্রভাবশালী কয়েকজন কর্মকর্তা বিশেষ করে আল ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম সুবক্তগীন এবং বিতর্কিত কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দিকে। তারা একে অপরের যোগসাজশে রেলের বিভিন্ন প্রকল্প থেকে হাজার হাজার কোটি লোপাট করেছেন নিখুঁত ভাবে। তাদের অনিয়ম দুর্নীতি বিষয়ে ইতিমধ্যে দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
যমুনা রেলসেতু ৩ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকার মহা-অনিয়ম!
জাপানি অর্থায়ন সংস্থা জাইকা এর তহবিলে নির্মিত যমুনা রেলসেতু নির্মাণ প্রকল্পে অডিট বিভাগের এক বিশেষ নিরীক্ষায় মোট ৩৪টি গুরুতর আপত্তি তোলা হয়েছে। যেখানে ৩ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকার মহা-অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছে। রেলওয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে ভয়াবহ দুর্নীতির এসব চিত্র বিভিন্ন গণমাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছে।
নথিপত্র বলছে—দরপত্র মূল্যায়নের সময় অযোগ্য ও বিতর্কিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে নথিপত্র ও শর্ত জালিয়াতি করা হয়েছে। এমনকি প্রকৌশলীদের আপত্তি উপেক্ষা করে প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমানের নিজের হাতে লেখা বিশেষ ‘ম্যাজিক নোট’-এর মাধ্যমে উচ্চ দর নির্ধারণ করেছেন।
তিনি চুক্তির শর্ত ভেঙে ঠিকাদারকে ১ হাজার ৭২৬ কোটি টাকার অনৈতিক সুবিধা প্রদান করেছেন, বাজারমূল্যের চেয়ে চড়া দামে মালামাল কিনে ১ হাজার ২২১ কোটি টাকা অপচয় করেছেন, এবং ডিজাইন ছাড়া ১২৭ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এছাড়া ক্যাফেটেরিয়া নির্মাণেই ব্যয় দেখানো হয়েছে ১১৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা যা গচ্চা গেছে সরকারের।
রেট।
অডিট প্রতিবেদনে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো— প্রকল্প এলাকায় ব্যবহারের জন্য জাপান থেকে আনা বিলাসবহুল গাড়িগুলোর (Luxury Vehicles) কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, যমুনা রেলসেতুর প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা ৩ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগটি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান করছে।
কালুরঘাট সেতু প্রকল্পে কৃষিবিদকে ‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ার’ বানানোর চেষ্টা!
চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেল-কাম-রোড সেতু প্রকল্পে নজিরবিহীন কারিগরি জালিয়াতির চেষ্টা চালিয়েছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘স্যামবো-জেভি’। প্রকল্পের আন্তর্জাতিক ‘টিম লিডার’ পদের জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি বাধ্যতামূলক থাকলেও স্যামবো-জেভি এমন এক প্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয় যার মূল পড়াশোনা ‘কৃষি প্রকৌশলে’। প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির চেয়ারম্যান আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান একটি গোপনীয় চিঠির মাধ্যমে এই কৃষি ডিগ্রিকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সমমান দেখানোর অপচেষ্টা চালান।
অডিট প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রকল্প এলাকার জন্য আমদানি করা শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল গাড়িগুলোর কোনো হদিস অডিটররা পাননি। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো প্রভাবশালী মহলের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহৃত করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের আন্তর্জাতিক ‘টিম লিডার’ পদের জন্য দরপত্রের বাধ্যতামূলক শর্ত ছিল ‘বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং’ ডিগ্রি।
রেলওয়ে তথ্য সূত্রে জানা গেছে—পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘স্যামবো-জেভি’কে একাজে সহযোগিতা করেছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম সুবক্তগীন। কারণ সুবক্তগীন আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমানের সহচর, তার সমস্ত কাজ সুবক্তগীন দেখাশুনা করতেন। এবং রেলওয়ের বিশাল সিণ্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন আওয়ামী ঘরনার এই কর্মকর্তা।
তার—বিরুদ্ধেও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় বিভিন্ন প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা হরিলুটের অভিযোগ আছে। বিশেষ করে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের পিডি থাকে অবস্থায় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশে লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ আছে। আছে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ। তার এই লোপাটের সঙ্গে জড়িত আছে আরও অনেকে।
জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের পর জিএম এর দায়িত্ব পাওয়ার পর তার দুর্নীতির মাত্রা ঘোড়ার গতিতে এগিয়ে ছিল। তিনি বিভিন্ন প্রকল্প থেকে শত শত কোটি টাকা হরিলুট করছেন, এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স, তমা গ্রুপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত দুর্নীতির হিসাব নিকাশ করতেন।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, আল ফাত্তাহ ও সুবক্তগীনের বিরুদ্ধে যমুনা ও কালুরঘাটসহ রেলওয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও বড় প্রকল্পে ঠিকাদারের বিল ছাড়ের সময় নির্দিষ্ট হারে কমিশন বা অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বিল পাস করানোর অভিযোগ গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।
এসব আলোচনা-সমালোচনা ও অভিযোগের মধ্যেই বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. সুবক্তগীনকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদায়ন করা হয়েছে। যা একজন স্বৈরাচারের দোসর রেলের কালো বিড়াল বলে নজির স্থাপন করেছেন তিনি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স গ্রুপকে কাজ দিতে আল ফাত্তাহ ও সুবক্তগীনের খেলা
এদিকে—ম্যাক্স (MAX) নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের বড় ধরনের আর্থিক সক্ষমতার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও তাদের কাজ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে।প্রকল্পের শর্ত (ITB 37.4) অনুযায়ী, একাধিক কন্ট্রাক্টের (WD-1 ও WD-2) কাজ পেতে হলে বিডারের সম্মিলিত বার্ষিক টার্নওভার (AACT) ২২০ মিলিয়ন ডলার থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ম্যাক্সের টার্নওভার রয়েছে মাত্র ২০৮.১৭ মিলিয়ন ডলার।
নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক কাজ পেতে হলে শুধু সর্বনিম্ন দরদাতাই নয়, বরং একাধিক কাজ একসাথে সামলানোর মতো আর্থিক তহবিল, যন্ত্রপাতি এবং জনবলের সম্মিলিত সক্ষমতা থাকতে হয়। অন্যান্য দরদাতার ক্ষেত্রে Completion Certificate, SIL-4/User Certificate বা Test Report-এর সামান্য ঘাটতির কারণে তাদের টেকনিক্যালি ‘নন-রেসপন্সিভ’ (বাতিল) করা হয়েছে।
অথচ মৌলিক ও বাধ্যতামূলক যোগ্যতায় ঘাটতি থাকার পরও ম্যাক্সকে যোগ্য বিবেচনা করে প্রায় ১,৪৬১ কোটি টাকা সাশ্রয়ের অজুহাত দেখিয়ে কাজ দেওয়ার জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) সম্মতি চাওয়ার প্রস্তাব খসড়া নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হলে প্রকল্পের গুণগত মান ও সময়সীমা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।
প্রকল্পের বাইরে রেলওয়ের ভূমি ব্যবস্থাপনায় চলছে আরেক নৈরাজ্য!
রেলওয়ের ‘ওয়ে অ্যান্ড ওয়ার্কস ম্যানুয়াল’-এর ২০৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সীমানা রক্ষা ও দখল রোধ করতে বিভাগীয় প্রকৌশলীদের (DEN) একজন জেলা প্রশাসকের (DC) সমমর্যাদার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু খিলগাঁও এলাকায় রেলের শতকোটি টাকার জমিতে ৫৬০টিরও বেশি স্থায়ী দোকান নির্মাণ করে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিপুল ক্ষমতার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও রহস্যজনক কারণে রেলের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা এসব দখলদারদের উচ্ছেদ করছেন না। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এবং রেল কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের মাসোহারার বিনিময়েই রেলের জমিতে এই বিশাল অবৈধ বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, রেলওয়ের মেগা প্রকল্পের দুর্নীতির বিষয়ে কিছু তথ্য আমার কাছে এসেছে। এটি তদন্ত সাপেক্ষে দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি। মেগা প্রকল্পগুলোতে দুর্নীতি ও অনিয়মের এই মহোৎসব বন্ধে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে রেল লুটেপুটে খাওয়া দুই কর্মকর্তাকে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগ এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো- (চলতি দায়িত্ব) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমানকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন-চলতি দায়িত্ব) পদে পদায়ন করা হয়েছে। এবং পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. সুবক্তগীণকে ঢাকায় অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো-চলতি দায়িত্ব) পদে বদলি করা হয়েছে।
তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন—চলতি দায়িত্ব) মামুনুল ইসলাম, পিইঞ্জ। স্মারক নম্বর ০০.০০০০.০০০.০৪০.১৯.০০১৯.২২.৬৫৩ উপসচিব কামরুল হাসানের প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে মর্মে জানা যায়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) মো. সুবক্তগীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের মূল প্রাক্কলিত ব্যয় ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা থেকে কয়েক গুণ বেড়ে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকায় পৌঁছায়, যা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্র মতে, বিগত সরকারের সময় এই মেগা প্রকল্পে পরামর্শক ও রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট বা অতিরিক্ত ব্যয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে।
এই প্রকল্পের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংশ্লিষ্টদের নথিপত্র তলব ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান রেখেছে।
আওয়ামীলীগের আমলে নেওয়া দোহাজারী-কক্সবাজার রেল প্রকল্প কুখ্যাত আওয়ামীলীগের ঠিকাদারি প্রতিষ্টান তমা কনস্ট্রাকশনের সাথে মিলেমিশে এই লুটের অন্যতম কুশীলব হিসেবে কাজ করেছে প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম মো: সুবক্তগীন এবং ওই সময়ে রেলওয়ের পরামর্শক ও সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) খসরু।
ঢাকা টু নারায়ণগঞ্জ রাত ৯ঃ৫৫ মিনিট ট্রেনটি ব্যস্ততম এলাকা জুরাইন রেলগেইট অতিক্রম করে তখন 🕗 রাত ১০:৩২ মিনিটে।
MD Anisur Rahman Ashik·১৩ দিন আগে
⛔EMERGENCY⛔
I lost my DBBL ATM card on Kazipara metro station...
আমি কাজীপাড়া মেট্রো স্টেশনে আমার DBBL এর এটিএম কার্ড হারিয়ে ফেলেছি। যদি কেউ পেয়ে থাকেন দয়া করে স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত যেকোনো কর্মকর্তার কাছে দিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
Md. Abdullah·১৩ দিন আগে
দেখুন মেট্রো আমাদেরজাতীয় সম্পদ এটা যেমন সত্য কথা ঠিক এটাও সত্য হাজারো গরিব মধ্যবিত্ত মানুষের রক্ত চোষা টাকা দিয়ে এই মেট্রোরেল তৈরি করা হইছে কাজেই অহেতুক নাম পরিবর্তনে কোটি টাকা খরচ কে কখনো সমর্থন করবেন না। যে যার জায়গা থেকে আওয়াজ তুলুন।
Arafat Nishan·১৩ দিন আগে
🙏🙏
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক·১৩ দিন আগে
উওরা থেকে প্রতিদিন সকাল কয়টা বাজে প্রথম ট্রেন ছাড়ে?
Shahebdad Babu·১৩ দিন আগে
Complaint
Uttora uttor theke aj 9.50 e last metro charar age gate off kore dise, complaints korbo kar kache?
Tanmoy Biswas Tapu·১৩ দিন আগে
Seeking for help
খুলনা থেকে কোটচাঁদপুর যাবার জন্য সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের ছ বা জ কোচের কোন সিটগুলো সোজা হবে ?
Tapos Chowdhury·১৩ দিন আগে
Azampur kacha bbazar uttara dhaka.kun station namle vlo hobe?
জরাজীর্ণ ইঞ্জিন ও রেলওয়ের অবহেলা: আর কত দুর্ঘটনা ঘটলে হুঁশ ফিরবে?
আজ শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনে সিলেটগামী আন্তঃনগর 'জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস' ট্রেনের ইঞ্জিনে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনাটি আমাদের রেল খাতের করুণ ও বিপজ্জনক অবস্থাকে আবারও সামনে এনেছে। চালকের সতর্কতায় বড় বিপর্যয় এড়ানো গেলেও যাত্রীদের ভোগান্তি এবং আতঙ্ক ছিল চরম।
এভাবে নষ্ট, দুর্বল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করা মানে শত শত যাত্রীর জীবন নিয়ে জুয়া খেলা। ইদানীং শুধু জয়ন্তিকা নয়—ফেনীতে মেঘনা এক্সপ্রেস কিংবা কমলগঞ্জে উপবন এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন লাগা, এবং বিভিন্ন রুটে রেললাইন চ্যুত হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যোগাযোগ বিকল হওয়া নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় ৫০%-এর বেশি ইঞ্জিনের মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে, যা যেকোনো সময় আরও বড় ও প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
এই তীব্র সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আমরা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি:
মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ইঞ্জিনগুলো অবিলম্বে লাইনে চালানো বন্ধ করে পুরোপুরি সংস্কার বা প্রতিস্থাপন করতে হবে।
দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ড রোধে নিয়মিত ট্রেনের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট চেকিং ব্যবস্থার জন্য একটি সার্বক্ষণিক টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে।
নতুন নতুন লাইনে বিনিয়োগের পাশাপাশি ট্রেনের ফিটনেস পরীক্ষা এবং কারখানার আধুনিকায়ন দ্রুত নিশ্চিত করা হোক। নিরাপদ রেল ভ্রমণ প্রতিটি নাগরিকের অধিকার!"