রেলওয়ে সংবাদ
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেনের ভাড়া ৬৮৫ টাকা
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণ করে নতুন ট্রেন চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৬৮৫ টাকা।
এক নজরে
- ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণ করে নতুন ট্রেন চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৬৮৫ টাকা।
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই রুটে চলাচলকারী মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বাড়িয়ে এ ট্রেন চালু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
নতুন এই ট্রেনের শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৬৮৫ টাকা। এই রুটে মোট ট্রেনের সংখ্যা হলো তিন জোড়া। এর আগে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে পর্যটন এক্সপ্রেস ও কক্সবাজার এক্সপ্রেস নামে দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করতো।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের এই বর্ধিত রুটে যাত্রা উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী ভাড়ার বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, কম খরচে যাতায়াত করতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য সাধারণ শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৬৮৫ টাকা। অন্যদিকে এসি চেয়ারের ভাড়া পড়বে প্রায় ১ হাজার ৩১১ টাকা। নতুন এই ট্রেনটিতে ৭০৬টি আসন রয়েছে।
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে টিকিটের ব্যাপক চাহিদার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) ও কোচের স্বল্পতার কারণে এতদিন পর্যাপ্ত ট্রেন চালানো সম্ভব হয়নি। যাত্রীদের সুবিধার্থেই মহানগর প্রভাতী চালু করা হলো।’
তিনি জানান, বর্তমানে এই রুটে তিন জোড়া ট্রেন চললেও, পর্যায়ক্রমে তা সাত জোড়া পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এটি বাস্তবায়িত হলে যাত্রীদের ভ্রমণের বিকল্প যেমন বাড়বে, তেমনি রেলপথে যাতায়াত আরও সহজ হবে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ৪৬৭.৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি থাকবে মোট ১২টি স্টেশনে। ঢাকা ও কক্সবাজার প্রান্তিক স্টেশন ছাড়াও এর মধ্যবর্তী বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও চট্টগ্রামে এ ট্রেনের যাত্রাবিরতি থাকবে। নতুন এ সার্ভিস চালুর ফলে ট্রেনটির কুমিরা স্টেশনে যাত্রাবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে এবং কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ৬টায়। অন্যদিকে কক্সবাজার থেকে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে সকাল ৯টায় এবং ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে। উভয় ক্ষেত্রে যাত্রার মোট রানিং টাইম ধরা হয়েছে ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ট্রেনটির রেক বেইজ, ওয়াটারিং ও ক্লিনিং হবে কক্সবাজারে। প্রতি রোববার থাকবে সাপ্তাহিক বন্ধ।
সূত্র: jagonews24.com